এ পর্বে আলোচনা করবো: কনস্ট্যান্ট ও ভেরিয়েবল নিয়ে
১. নিউমেরিক
ক.integer: দশমিক বিহীন সংখ্যা যেমন: ১২৩, -৩২১,০,৬৫৪৩২,+৭৮ ইত্যাদি । ইন্টিজার লিখতে স্পেস , কমা ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না।
খ. real: দশমিক সহকারে ভগ্নাংশ সংখ্যা। যেমন-০.০০৮৩,-০. ইত্যাদি।
২. কারেক্টার
ক. single: যেমন: ‘x’,'5′,’.’ ইত্যাদি।
খ. string: যেমন: “Hello”, “787″ ইত্যাদি।
প্রগ্রাম চলাকালীন সময়ে এর মানের পরিবর্তন হয়।
ভেরিয়্যাবলএর নাম দেয়ার ক্ষেত্রেও সুইনির্দিস্ট নিয়ম আছে-
১. নাম ইংরেজী বর্ণ দিয়ে শুরু হবে।
২. আন্ডারস্কোর দেয়া যাবে, স্পেস দেয়া যাবে না।
৩.ইংরেজী বড়/ ছোট বা বড়-ছোট মিশানো হাতের লেখাও চলবে।
যেমন:
কনস্ট্যান্ট:
প্রগ্রাম চলাকালীন যাদের মান পরিবর্তন করা যায়না তারাই কনস্ট্যান্ট। দুই রকমের কন্সট্যান্ট আছে-১. নিউমেরিক
ক.integer: দশমিক বিহীন সংখ্যা যেমন: ১২৩, -৩২১,০,৬৫৪৩২,+৭৮ ইত্যাদি । ইন্টিজার লিখতে স্পেস , কমা ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না।
খ. real: দশমিক সহকারে ভগ্নাংশ সংখ্যা। যেমন-০.০০৮৩,-০. ইত্যাদি।
২. কারেক্টার
ক. single: যেমন: ‘x’,'5′,’.’ ইত্যাদি।
খ. string: যেমন: “Hello”, “787″ ইত্যাদি।
ভেরিয়্যাবল:
variable একটি পাত্রের মতো আচরন করে। যখন যা রাখা হয়, ই তার মান হয়। মনে করুন,একটি পাত্রে দুধ রাখলে তাকে দুধের পাত্র বলি, সেই পাত্রতে পানি রাখলে তা হবে পানির পাত্র।প্রগ্রাম চলাকালীন সময়ে এর মানের পরিবর্তন হয়।
ভেরিয়্যাবলএর নাম দেয়ার ক্ষেত্রেও সুইনির্দিস্ট নিয়ম আছে-
১. নাম ইংরেজী বর্ণ দিয়ে শুরু হবে।
২. আন্ডারস্কোর দেয়া যাবে, স্পেস দেয়া যাবে না।
৩.ইংরেজী বড়/ ছোট বা বড়-ছোট মিশানো হাতের লেখাও চলবে।
যেমন:
No comments:
Post a Comment